1. live@www.cityinsidernews.com : - : -
  2. info@www.cityinsidernews.com : City Insider News :
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
একজন মানবিক ও কর্মচঞ্চল,কুলাউড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোশারফ খানের ব্যবহারে মুগ্ধ সেবাগ্রহীতারা একজন মানবিক ও কর্মচঞ্চল এসিল্যান্ড আশিক জামান,তাঁর কাজে সন্তোষ্ট দুই উপজেলার সেবাগ্রহীতারা ধেয়ে আসছে টাইফুন নউল,২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিল চীন জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে যাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ ইট উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর নাসিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা চাকরির নিরাপত্তা ও ন্যায্য বেতনকাঠামো নিশ্চিত করবে কে? প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী দামুড়হুদায় এক যুবকের করুণ মৃত্যু প্রতীকী শাস্তির আবরণে দায়মুক্তি: জাহাঙ্গীরনগরে বিচারের প্রহসন

২১ দিন মা-মেয়ের লাশের সঙ্গে বসবাস, আঁতকে ওঠার তথ্য দিলেন হত্যাকারী শিক্ষিকা

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

 নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকার কেরানীগঞ্জে প্রকাশ্যে এসেছে শিউরে ওঠার মতো এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। এক শিক্ষিকা মা ও মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যার পর টানা ২১ দিন তাদের লাশ নিজ ফ্ল্যাটে লুকিয়ে রেখে স্বামী ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বসবাস করে আসছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে কেরানীগঞ্জের কালিন্দী ইউনিয়নের মুক্তিরবাগ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে স্কুলছাত্রী জোবাইদা রহমান ফাতেমা (১৪) ও তার মা রোকেয়া রহমানের (৩২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন শিক্ষিকা নুসরাত মীম।

ঘটনার পরপরই নুসরাত মীম (২৪), তাঁর স্বামী হুমায়ুন মিয়া (২৮) এবং মীমের ১৫ ও ১১ বছর বয়সী দুই বোনকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, হত্যার পর প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে লাশ দুটি ফ্ল্যাটেই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন রোকেয়া রহমান ও তাঁর মেয়ে ফাতেমা। এ ঘটনায় পরদিন রোকেয়ার স্বামী শাহীন আহম্মেদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে ৬ জানুয়ারি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে অপহরণের মামলা দায়ের করা হয়।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম এক ব্রিফিংয়ে জানান, নুসরাত মীম একটি এনজিও থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। ওই ঋণের জামিনদার ছিলেন তাঁর ছাত্রী ফাতেমার মা রোকেয়া রহমান। সময়মতো কিস্তির টাকা পরিশোধ না হওয়ায় এনজিও কর্তৃপক্ষ রোকেয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করে, যা নিয়ে নুসরাত ও রোকেয়ার মধ্যে একাধিকবার বিরোধ সৃষ্টি হয়।

ওসি জানান, ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে ফাতেমা প্রাইভেট পড়তে নুসরাতের বাসায় গেলে নুসরাতের ১৫ বছর বয়সী বোনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই কিশোরী ফাতেমাকে গলা চেপে হত্যা করে। ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ফাতেমার পোশাক পরে বাসা থেকে বের হয় নুসরাতের বোন, যাতে সিসিটিভি ফুটেজে মনে হয় ফাতেমা নিজেই চলে গেছে।

ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা পর নুসরাত ফোন করে রোকেয়াকে মেয়ের অসুস্থতার কথা জানান। দ্রুত বাসায় এলে পেছন থেকে ওড়না পেঁচিয়ে রোকেয়ার গলা চেপে ধরেন নুসরাত। পরে দুই বোন মিলে শ্বাসরোধ করে রোকেয়াকে হত্যা করেন।

পুলিশ জানায়, হত্যার পর রোকেয়ার মরদেহ শোবার ঘরের বক্স খাটের নিচে এবং ফাতেমার মরদেহ শৌচাগারের ফলস সিলিংয়ের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়। ওই দুই লাশ ফ্ল্যাটে রেখেই অভিযুক্তরা প্রায় ২১ দিন বসবাস করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নুসরাত মীম ও তার কিশোরী বোন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান ওসি সাইফুল আলম। নুসরাতকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার নাবালিকা বোনকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট