ক্রাইম রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের বিলভাদেরা গ্রামের মৃত হাসেন আলী ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া পরিবার বর্গ লোকজনের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জমি জমা নিয়ে বিরোধের চলে আসছে একই গ্রামের মৃত মোর্শেদ আলীর ছেলে মোঃ এখলাছ মিয়া ও মোখলেছ মিয়া সঙ্গে এর জের ধরে গত ২৮/১১/২৫ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার প্রায় ১২ টার দিকে নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার মা মোছাঃ জুহুরা খাতুন এর ওরিশান ও সাফ কাওলা জমিতে চাষাবাদ সহ কাজ করতে গেলে পূর্বের শত্রুতার জেরে একলাছ ও তার ভাই দেশি অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে জুহুরা উপর আক্রান্ত করে। এসময় জুহুরা খাতুন গুরুত্ব আহত হয়। আহত মহিলার চিৎকারে আশে পাশে লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে হামলাকারীদের কাছে উদ্ধারের চেষ্টা করে ঠিক এই সময় সেলিনা আক্তার কে মারধর ও টানা হেছরা করে পরনে থাকা কাপড় ছিঁড়ে ফেলে মানহানি কর ঘটনা ঘটায় পাড়া ও গ্রামবাসী সহযোগিতার উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করে।এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া বাদী হয়ে নান্দাইল থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন প্রতিপক্ষ মোঃ এখলাছ ও মোখলেছ মিয়া কে আসামি করে। এই নিয়ে পুরো গ্রাম জুড়ে আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে পাড়া ও গ্রামবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধে চলে আসছে। এই নিয়ে কয়েক বার গ্রাম্য শালিস বৈঠক বসলেও বিষয়টি সুরাহা হয়নি অভিযোগ আসামি গণ গ্রাম্য শালিস এরিয়ে যান। এরপর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানার এস.আই ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেন এবং প্রাথমিক ভাবে মারামারি ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে। এরপর আবার শালিস বৈঠক বসবে বলে সময় খেয়া পণ করে এই দুর্বলতা সুযোগে নিয়ে আসামি পক্ষ পূনোরায় ঝগড়া প্রকক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং গত ১৬/১/২৬ ইং তারিখে প্রায় ১২ টার দিকে ভাড়াটিয়া গুন্ডা সহ পূনোরায় আক্রমন শুরু করে এসময় মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রতিবাদ করিলে তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষ তারেই মামাত ভাই একলাছ ও মুখলেছ সহ তার গুড়ারা দেশী অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে তাদের ভয়ে প্রাণ রক্ষার জন্য অন্যানের বাড়িতে চলে যায়। থাকে না পেয়ে বাড়িতে থাকা পানির ট্যাংকি পাইব সহ বিভিন্ন জাতের গাছ পালা কেটে ফেলে। এই ঘটনা নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া নান্দাইল থানা কে অবগত করতে গেলে,আসামি একলাছ গংরা তাদের বাড়ি মালা মাল নিজেরা ভাংচুর করে। পূর্বের অভিযোগ ও বিষয়টি আদি ধামাচাপা দেওয়া জন্য একটি পায়তারা করে।গ্রাম ও পাড়া মহল্লায় আতংক সৃষ্টি করেছে। এদিকে ভাংচুর লুটপাট ঘটনা কে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাংবাদিক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া সহ তার লোকজন এর নামে এই নিয়ে পুরো পাড়া ও মহল্লায় কানা ঘোসু ঝড় উঠে,এ ব্যাপারে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া সহ পরিবারবর্গ ও পাড়া মহল্লার লোকজন বলেন আমাদের নামে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন রিপোর্ট প্রকাশ করেছে এই ধরনের রিপোর্ট কে আমারা নিন্দা জানাই তাছাড়া প্রতিপক্ষের কাছে জুহুরা খাতুন সহ ৪ বোন এর ওরিশান জমি জমা রয়েছে।সেই কথা উল্লেখ করা হয়নি এটা সারা গ্রাম ও এলাকা বাসী সবাই জানে এই জমি ৪ ফেরত দিবে বিদায় এই নাটক সাজানো হচ্ছে।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর পদক্ষেপ কামনা করছে অভিযোগ এর বাদী মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া সহ পরিবারবর্গ ও গ্রামবাসী। যারা মাতব্বর তারা হলেনঃ আকবর আলী, অন্তত আলী, সাবেক ইউপি সদস্য মুসলিম মিয়া,মোখশেদ মিয়া, মোঃ,ওহেদ আলী, মোঃ রহিম উদ্দিন, মোঃ কাদির মাস্টার, মোঃ রুহুল মিয়া, মোঃ সিরাজ মিয়া, মোঃ বিল্লাল হোসেন,স্বপন মিয়া, মোঃ জিয়া রহমান, মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, মোঃ অমর ফারুক, মোঃ সাহাদুল , সুলেমান মিয়া, মোঃ মোহাম্মদ মিয়া, মোঃ বাচ্চু মিয়া,, হেলাল মিয়া,আলী ইসলাম ভূঁইয়া, মোছাঃ জুহুরা খাতুন, মোছাঃ মোর্তজা হালিমা, বকুলা আক্তার, সেলিনা আক্তার, লিজা আক্তার, মোছাঃ রোকিয়া,দিলোয়া আক্তার,সাপলা আক্তার সহ আরো অনেকেই প্রমুখ