1. live@www.cityinsidernews.com : - : -
  2. info@www.cityinsidernews.com : City Insider News :
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
একজন মানবিক ও কর্মচঞ্চল,কুলাউড়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোশারফ খানের ব্যবহারে মুগ্ধ সেবাগ্রহীতারা একজন মানবিক ও কর্মচঞ্চল এসিল্যান্ড আশিক জামান,তাঁর কাজে সন্তোষ্ট দুই উপজেলার সেবাগ্রহীতারা ধেয়ে আসছে টাইফুন নউল,২০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নিল চীন জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে যাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ ইট উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর নাসিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা চাকরির নিরাপত্তা ও ন্যায্য বেতনকাঠামো নিশ্চিত করবে কে? প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী দামুড়হুদায় এক যুবকের করুণ মৃত্যু প্রতীকী শাস্তির আবরণে দায়মুক্তি: জাহাঙ্গীরনগরে বিচারের প্রহসন

অবশেষে অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি পেলেন ১১৮ কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে ১১৮ কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন নিয়োগ-২ শাখার উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই পদোন্নতি দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল হতে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম/ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন। পরবর্তীতে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন বিরুপ/ভিন্নরুপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ তাদের যোগদানপত্র সরাসরি সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর অথবা অনলাইনে দেওয়া যাবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের নিয়মিত ২০ ব্যাচের যুগ্মসচিব পদোন্নতি হয় ২০২১ সালের ২৯ অক্টোবর। যুগ্মসচিব হিসেবে দুই বছর সন্তোষজনক চাকরির পর তারা অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতিযোগ্য হন। অথচ নিয়মিত পদোন্নতি পাওয়া এসব যুগ্মসচিবের পদোন্নতির চার বছর এই ব্যাচের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হলো।

পদোন্নতির জন্য গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করে এক ডজনের বেশি সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতগুলো সভার পরেও পদোন্নতি নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছিল।
গত ২২ জানুয়ারী ‘প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা উপেক্ষা’ অতিরিক্ত সচিবের ৪১৮ পদে কর্মরত মাত্র ২৮৫ জন র্শীষক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ঐ দিনই উপদেষ্টা পরিষদের একাধিক সদস্য এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার মূখ্য সচিবের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান।

প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, অতিরিক্ত সচিবের স্বল্পতার কারণে অনেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বিভিন্ন অনুবিভাগে পদায়ন করা যাচ্ছে না। একজন অতিরিক্ত সচিব দুই বা ততধিক অনুবিভাগের দায়িত্ব পালন করছেন। অনেক সংস্থা ও করপোরেশনে চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী ও মহাপরিচালক পদ শূন্য থাকার পরেও কর্মকর্তা স্বল্পতায় পদায়ন করা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে গত ৬ জানুয়ারী প্রধান উপদেষ্টার মূখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং জনপ্রশাসন সচিবকে ডেকে নেন প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস। তিনি অতিদ্রুত অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতির নির্দেশনা দেন। এর পরেও অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব হয়নি।

অর্ন্তবর্তী সরকার বিগত সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের পিএস ছিল, প্রধানমন্ত্রীর পিএস, এপিএস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক, মহাপরিচালক, ২০১৮ সালের রাতের ভোটে ডিসি হিসেবে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিভিন্নভাবে বিগত সরকারের প্রতি অন্ধ আনুগত্য দেখিয়েছেন তাদের পদোন্নতি না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। আগামি ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর দলীয় সরকারকে ম্যানেজ করে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে অর্থের বিনিময়ে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে হাসিনা ঘনিষ্ট কর্মকর্তাদের পদোন্নতি নিশ্চিত করা যাবে। এজন্য প্রভাবশালী একজন সাবেক আমলা অতিরিক্ত সচিব পদোন্নতি দিতে চাননা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্ন্তবর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জনপ্রশাসনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। অভ্যত্থান পরবর্তী পদায়ন হওয়া কর্মকর্তাদের সাথে আগে থেকে জনপ্রশাসনে থাকা কর্মকর্তারাও সিন্ডিকেটে জড়িয়ে পড়েন। সিন্ডিকেটটি সুবিধা করতে না পেরে বিভিন্ন অভিযোগ এনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমানকে সরিয়ে দেন। তার স্থলাভিষিক্ত করা হয় তারই ব্যাচমেট মো: এহছানুল হককে। এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয় সিন্ডিকেটটি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন জনপ্রশাসন সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারই একজন ঘনিষ্ট ব্যাচমেটের মন্ত্রণালয়ের যাতায়াত বেড়ে যায়। তার ঐ ব্যাচমেট আগামি নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার সম্ভব্য দলটির গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। ঐ ব্যাচমেটের পক্ষ থেকে নির্বাচনের পর তাকে আবারও দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হবে এমন প্রলোভন দেখানো হয়। ফলে ঐ কর্মকর্তার বাইরে কোন কাজ করছেননা তিনি। এমনকি প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনাও উপেক্ষা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট