ক্রাইম রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের নাটের কোনা গ্রামের মঞ্জুরুল হক এর স্ত্রী মোছাঃ রেজিয়া খাতুন গত ৯/৪/২৫ ইং তারিখে বিজ্ঞ আমলী আদালত পূর্বধলা, নেত্রকোনা একটি মামলা করেন একই গ্রামের মোঃ নুরুল ইসলাম খন্দকার মিনু ছেলে হাসিবুল ইসলাম খন্দকার শান্ত সহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে। যাহার দরখাস্ত নং ২১ উক্ত মামলার বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে গত ১৫/৪/২৫ ইং তারিখে পূর্বধলা থানার পেরন করেন। যাহার পূর্বধলা থানার মামলা নং ১৯ উক্ত মামলাটি তদন্তের জন্য থানার এস আই ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেন। এরপর থেকেই আসামি পক্ষ মামলার মীমাংসার জন্য এলাকার বিভিন্ন মাতাবর গনের কাছে দৌড় ধাপ শুরু করে। মামলার সূত্রে জানা যায় গত ৩/৪/২৫ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার বিকাল প্রায় ৫ টার দিকে পূর্বে বিভিন্ন বিষয় আদি নিয়ে উভয় পক্ষ গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করে উক্ত শালিস/ বৈঠকে মিমাংসা হয়নি। পরে সালিশ থেকে মঞ্জুরুল হক বাড়ি আসার পথে প্রতিপক্ষ মোঃ শান্ত সহ তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত আক্রমণ করে। এসময় ৫ পাঁচ ব্যক্তি গুরুত আহত হয় । আহত ব্যক্তিদের চিৎকারে আশেপাশে লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে।এর মধ্যে এক জনের অবস্থা আংশঙ্ক জনক থাকার কর্মরত ডাক্তার দূত গতিতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে আহত ব্যক্তি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মঞ্জুরুল হক এর স্ত্রী মামলা করেন। এই মামলাটি মিমাংসা এক মাস পর পুনরায় আসামি জোর পূর্বক বেআইনি ভাবে মঞ্জুরুল হক ও আব্দুল মমিন গং দের পৈত্রিক ও সাফ কাওলা জমি দখল সহ পায় তারা সৃষ্টি করে। এদিকে মঞ্জুরুল হক এর ছেলে পূর্বের মারামারি ঘটনার গুরুত্ব আহত সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা নড়ছে। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর পদক্ষেপ কামনা করছে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী পরিবারবর্গ লোকজন। প্রকাশ তাকে যে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা... চলবে।