
স্টাফ রিপোর্টারঃ
দীর্ঘ দিন মানুষ যখন ভোট নিয়ে ব্যস্ত ছিল ঠিক তখনই প্রকৃতি নিজেকে সাজাতে ব্যস্ত।
সারা বাংলাদেশের ন্যায় পাবনা জেলায় ভাঙ্গুড়ায় মধু মাস ঋতুরাজ বসন্ত আসার আগাম বার্তা নিয়ে এসেছে আম গাছে মুকুল,শজিনা গাছে ফুল। বর্তমানে পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া থানার প্রায় প্রতিটি বাড়িতে আমের মুকুলের গন্ধে মৌমাছি মৌ মৌ করছে। প্রকৃতির দিকে তাকালে অনেক ফুল চোখে পড়ছে ও দৃষ্টিনন্দন পাগল করা মুকুল এর ঘ্রাণে মন ভরেছে। উল্লেখ্য প্রতিদিন অনেক খবর আসে পত্রপত্রিকা সহ অসংখ্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়। পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কয়েকজন সুধী মানুষকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে পত্র- পত্রিকা জুড়ে ইলেকট্রনিক মিডিয়া তো শুধু আমরা নির্বাচনের খবর দেখতে পাচ্ছি। সাংবাদিকরাও ব্যস্ত নির্বাচনের খবর সংগ্রহ করতে। কিন্তু সেই ফাঁকে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রকৃতি। যে প্রকৃতিতে আপন মহিমায় ফোটা শুরু করেছে আমের মুকুল, ফুটেছে সজিনা ফুল প্রায় প্রতিটি জায়গাতেই চোখ জুড়ানো আমের মুকুল দেখে হাতে থাকা ক্যামেরা দিয়ে স্থির ছবি তুলতে অন্য সাংবাদিক ভুল করলেও ভুল করিনি সাংবাদিক বিকাশ কুমার দাসের ক্যামেরা। বিভিন্ন বাড়ীর ছাদবাগানের আমের
গাছগুলো ভুল করেনি প্রকৃতি শোভায় মুকুল ছড়াতে। পাবনা জেলার প্রতিটি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে হরেক রকমের সুস্বাদু আমের চাষ। বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের স্পন্দনে মিশে থাকা জাতীয় সংগীতের একটি লাইনে বিশ্ব কবি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন “ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রানে পাগল করে, মরি হায়, হায় রে-ও মা ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রানে পাগল করে”। পল্লীকবি জসীম উদ্দিন তার মামার বাড়ি কবিতার লিখেছেন আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই, ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। ঝড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ, পাকা আমের মধুর রসে রঙিন করি মুখ…।
মধুমাসের স্বাদ নিতে বাকি আর মাত্র কয়েক মাস। তবে মুকুলের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে পাবনার ভাঙ্গুড়ায় । গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ গন্ধ। যে গন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল। ভাঙ্গুড়ার বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে দেখা মিলছে আমের মুকুল ও শজিনা ফুলের গ্রামগুলোর মধ্যে খালি জায়গা, পুকুর পাড়, রাস্তার ধারে ও বাড়ির আঙ্গিনার গাছগুলোতে শোভা পাচ্ছে কেবলই আমের মুকুল ও শজিনা ফুলের।