
ক্রাইম রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলাধীন ৯ নং নওপাড়া ইউনিয়নের কোনা পাড়া গ্রামের মৃত বিল্লাল হোসেন এর ছেলে মশারিফ হোসেন পায়েল এর স্ত্রী মোছাঃ রিমা আক্তার হত্যা মামলার আসামি গণ কে গ্রেফতার এর জন্য পুলিশের দায়ে দায়ে ঘুরছে মামলার বাদী। সূত্রে জানা যায় পুর্বের বিভিন্ন বিষয় আদি নিয়ে পূনরায় পারিবারিক কল হল সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে গত ২৫/২/২৬ ইং তারিখ রোজ বুধবার প্রায় সন্ধ্যা ৬ টার দিকে বেলড়িং ঘরের দরজা বন্ধ করে মেয়ে টির উপর স্বামী সহ পরিবার বর্গ লোকজন যৌতুকের জন্য মারধর, অত্যাচার নির্যাতন শুরু করে।এক পর্যায় মেয়েটি কিছনি শুরু হয়। পরে দরজা না খুলে রাতে কেন্দুয়া হাসপাতালে নিয়ে যায় সেখানকার কর্মরত ডাঃ রোগীর অবস্থা শোচনীয় দেখে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন সেখান কার কর্মরত ডাঃ মেয়ে টি কে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ মৃতক এর মৃত দেহ সোরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে পোস্ট ম্যাডামের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।এদিকে মৌমিতা ফোন করে সকলকে জানায়। এই খবর শুনে সকলেই মৃতক এর মৃতদেহ ফেলে বাড়ি ও হাসপাতাল থেকে হত্যা কারি গণ পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটি বাবা জাকির মিয়া লাশ বাড়িতে নিয়ে আসে দাফন কাফন এর কাজ সম্পূর্ণ করেন। এই ঘটনার ফ
পুরো এলাকায় আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন দীর্ঘদিন ধরে মেয়ে টি একের পর এক যৌতুকের জন্য অত্যাচার নির্যাতন করে আসছে। এই বিষয়টি এলাকার চেয়ারম্যান ও জনপ্রতিনিধি গন সহ গণ্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ একাধিক বার গ্রাম্য শালিস/ বৈঠক বসে বিষয়টি সুরাহা হয়। কিন্তু মেয়েটির স্বামী ও পরিবার বর্গ লোকজনের মধ্যে ভিতরে খুব থেকে যায়।এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৃতক মেয়ে টির বাবা জায়গীর হোসেন ওরফে জাকির বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন প্রতিপক্ষ মাশরাফি ইসলাম পায়েল সহ ৮ জন কে আসামি।আরও অগাত ৫/৬ রয়েছে । এ ব্যাপারে জেলার পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করছে। ভুক্তভোগী পরিবারবর্গ ও এলাকাবাসী সচেতন মহল। ভুক্তভোগী পরিবারবর্গ ছবি সংযুক্ত