
সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ইরানের সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে, আর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্র দেশগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে।
তেহরানে ভারতীয় দূতাবাস তাদের নাগরিকদের ইরান ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া একই কারণে নাগরিকদের নিরাপত্তা সতর্কবার্তা জারি করেছে। এছাড়া কাতারের দোহায় আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের বিমান বাহিনীর কমান্ডার সরদার মুসাভি জানিয়েছেন, ইরানের সামরিক বাহিনী বর্তমানে প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতির সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। যেকোনো আগ্রাসন মোকাবিলায় তারা প্রস্তুত। মুসাভি উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের পূর্ববর্তী যুদ্ধের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ বলেছেন, কেউ হামলা করলে তাদের জন্য দেশ সর্বশেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত প্রতিরোধ করবে। হামলায় যেসব দেশ সহযোগিতা করবে, তারা বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, তা মেরামত করা হয়েছে এবং সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে নজরে রাখছে।